বাবুগঞ্জে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্যে দিয়ে অতিদরিদ্রদের ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচীর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের নিরব ভূমিকায় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাবুগঞ্জ উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়নে কর্মসৃজন কর্মসূচীর কাজ করার জন্য মেম্বররা স্বজনপ্রীতি ও অর্থ গ্রহন করে তালিকা তৈরী করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দরিদ্র ও হতদরিদ্রদের নাম তালিকায় থাকার নিয়ম থাকলেও তা হয়নি। এছাড়া কর্মসৃজন কর্মসূচির কাজে ৬৬ শতাংশ নারী শ্রমিকের নাম রাখার বিধান থাকলেও তা এখানে বাস্তবায়িত হয়নি। তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা শ্রমিক বা অতিদরিদ্র নয়, রাস্তায় গিয়ে কাজও করেন না । অথচ তাদের নামে মজুরির টাকা পরিশোধ দেখানো হয়েছে। এমন শ্রমিক রয়েছে মূল তালিকায় তিন ভাগের এক ভাগ। গ্রামগঞ্জের অতিদরিদ্রদের ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচীর শ্রমিকদের প্রত্যেকের নামে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে একাউন্ট রয়েছে। কাছ শেষে শ্রমিকরা নিজ একাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিবে। কিন্তু এখানে ঘটছে এর বিপরীত। কর্ম সৃজন কর্মসূচীর সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ইউপি সদস্যরা ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে মিলে শ্রমিকদের সই স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে শ্রমিকদের মাঝে কম টাকা বিতরণ করেন। অপরদিকে ইউপি সদস্য ১৫ জন শ্রমিকের স্থানে ৫ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর পরে বাকি ১০ জন শ্রমিকের টাকা তুলে আত্মসাৎ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এলাকার ভূক্তভোগী শ্রমিকরা বলেন যে লেখিত অভিযোগ দিয়ে এদের সাথে বিরোধ সৃষ্টি করে এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে পরবে এই কারণে সবকিছু মেনে নিয়ে একমাত্র সৃষ্টিকর্তার কাছে এই বিচার দিলাম সে যেন এদের বিচার করেন।
লাইক:
1
দেখা হয়েছে: ০ বার