বাংলাদেশ ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্র চালু হলে উভয় দেশই লাভবান হবে। এতে করে এ দেশের বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান হবে। তিনি বলেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর চালু হলে ভারতের আগরতলা ও ত্রিপুরাতে ৪০ হাজার মেট্রিকটন খাদ্যদ্রব্য পাঠানোর বিষয়ে এবং ইমিগ্রেশন চালুর ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে।
গতকাল বাংলাদেশের আইন প্রতিমন্ত্রী সামসুল হক টুকু বাংলাবান্ধা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তার সাথে ছিলেন পঞ্চগড় -১ আসনের সংসদ সদস্য মোজাহারুল হক প্রধান,পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম সুজন ,সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ফরিদা আকতার হিরা,জেলা প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন মিয়া , পুলিশ সুপার শাহরিয়ার রহমান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) রাজিয়া সুলতানা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
পোর্ট ইমপোর্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদি হাসান বাবলা প্রতিমন্ত্রীকে বলেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর চালু হলে ভারত,নেপাল, চীন, ভুটান ও বাংলাদেশ এ ৫টি দেশের সহজতর বানিজ্য কেন্দ্র হবে বাংলাবান্ধা।এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত সহজেই ইমপোর্টের সুবিধা পাবে। অনেকাংশে রাজস্ব আয় বেড়ে যাবে। উভয় দেশের সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। স্থলবন্দর কর্তপক্ষ জানান গত বছর এ স্থল বন্দর থেকে বাংলাদেশের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৬২ কোটি টাকা।
এ বন্দর গত ১৯৯৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ঢাক-ঢোল বাজিয়ে বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চালুর বিষয়টি ঘোষনা দিয়ে যান। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও ভারতের মুখ্যমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি বাংলাবান্ধায় এসে জনসম্মুখে ঘোষনা দিয়েছিলেন কিন্তু আজ পর্যন্ত ফাইল বন্দি অবস্থায় রয়ে গেছে। বিভিন্ন পথসভায় জনগনের উন্নয়নের আশ্বাস দেন। দেশ থেকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস দূর করে দেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের কথা ব্যক্ত করেন।
লাইক:
0
দেখা হয়েছে: ০ বার