কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে হিযবুত তাওহীদ আতঙ্কে রয়েছে এলাকাবাসী। প্রশাসনের নিকট অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে অনাকাঙ্খিত ঘটনা।
জানা যায়, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর করগাঁও, পাঁচলিপাড়া, ডাঙ্গেরগাঁও, জুক্কারপাড় ও পারদিয়াকুলসহ পাঁচ-ছয়টি গ্রামে হিযবুত তাওহীদ সংগঠনের শতাধিক সদস্য মাঠে সক্রিয় রয়েছে। এ সংগঠনের রহস্য জনক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হিযবুত তাওহিদের তৎপরতা বন্ধের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অভিযোগও দিয়েছে। স্থানীয় জনতার চাপের মুখে হিযবুত তাওহিদের আটজন সদস্য সংগঠন ত্যাগ করেছে। কিন্তু প্রশাসনিক কোন তৎপরতা ও হিযবুত তাওহীদ সদস্যদের গ্রেফতার না করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গ্রামগুলোতে নিরাপত্তাহীনতা ভোগছে সাধারণ মানুষ। এব্যাপারে করগাঁও ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওদের দায়ের (হিযবুত তাওহীদ সদস্যরা) করা মামলায় তদন্ত করেছে কিন্তু এলাকাবাসীর অভিযোগের বিষয়টির কোন অগ্রগতি হয়নি। ফলশ্রতিতে স্থানীয় গ্রামবাসী হিযবুত তাওহীদ সদস্যদের অব্যাহত হুমকির মুখে রয়েছে। ফলে সংকিত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এব্যাপারে কোন অভিযোগ পায়নি। পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে ও কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তবে আপনি কেন পাননি জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, হিযবুত তাওহিদের তৎপরতা বন্ধের দাবি জানিয়ে করগাঁওবাসীর অভিযোগটি তিনি হাতে পেয়েছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদনটি পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার মীর রেজাউল আলম জানান, হিযবুত তাওহীদ নিষিদ্ধ না হলেও তাদের কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি আরো জানান, তাদের তৎপরতা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে যথারীতি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লাইক:
0
দেখা হয়েছে: ০ বার