কিশোরগঞ্জে মুখি চাষ জনপ্রিয় হয়ে পড়েছে। চাষীরা তাই মুখি চাষের উপর আগ্রহী হয়ে পড়েছে। জানা যায়, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলাইয়ে তরফ পীর বাড়ির মরহুম সৈয়দ আলী ও তার ছোট ভাই সৈয়দ আ. আউয়াল, সৈয়দ নুরুল আউয়ালসহ স্বপরিবারে সিলেটের হবিগঞ্জ থেকে ১৯৬৮ সনে সদর উপজেলার বৌলাইয়ে বসতী স্থাপন করার সময় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ৫ কেজি তরফের মুখি নিয়ে এসে চাষাবাদ শুরু করেন। বর্তমানে তরফের মুখি করিমগঞ্জ উপজেলার জাফরাবাদ, কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের গাঙ্গাইল, সাতারপুর, গালিমগাজী, গোঁজাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জনপ্রিয় মুখি চাষ ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত হয়েছে। তরফের মুখি বলে প্রথমে কিশোরগঞ্জ শহরের লোকজন খেতে ভয় পেত। ৭/৮ বছর পর বড় বাজার, কাছারি বাজারের পাইকারেরা রিকসা নিয়ে নিজেরাই প্রতিদিন ভোরে তরফ সাহেব বাড়িতে গিয়ে মুখি কিনে আনতো। এ বিষয়ে তরফের সাহেব বাড়ির সৈয়দ নুরুল আউয়াল তারামিঞার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমাদের অনেক ভক্তবৃন্দ জেলার বিভিন্ন স্থানে মুখি চাষ করে আসছে। কেননা এ মুখি চাষে বেশি খরচ হয় না। মুখি গাছে কখনও লতাও হয়না। ফলন হয় বেশি। মুখি চাষী গোলাপ মিয়া, আ. করিম, মাহতাব উদ্দিন, আ. খালেক, আ. রশিদ, ইকবাল হোসেন, আ. জব্বার, গেন্দু, শাহাবুদ্দিন, সালেক, মামুদ আলী, আ. কদ্দুছ বহু চাষী তরফের মুখি চাষ করে আসছেন বলে তারা জানায়।
লাইক:
1
দেখা হয়েছে: ০ বার