Nagorikkontho is a Platform for the citizens which encourage their participation and gives them voice to express their opinions, feedback regarding public services and other issues of Bangladesh Government.

বিআরটিসির ফিটনেস বিহীন বাস
যাচাই করা হয়নি

  • বিআরটিসির ফিটনেস বিহীন বাস

No Video Found

  • No Audio found

দক্ষিনাঞ্চলের সড়ক পরিবহন প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি’র একমাত্র বাস ডিপোটি নিয়মিত ভাবে পরিচালনায় মুনাফা অর্জন হলেও ভাল বাসের অভাবে যাত্রীদের দূর্ভোগ বেড়েই চলছে। বরিশাল থেকে ১৪টি রুটে সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করলেও এ প্রতিষ্ঠানটির প্রায় সবগুলো বাস দীর্ঘদিনের পুরাতন হওয়ার ফলে ফিটনেস হারিয়েছে। কিন্তু গাড়িগুলো মেরামতে সর্বদাই উদাসীন বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ। প্রায়ই মাঝ পথেই ইঞ্জিন বিগড়ে গন্তব্যে পৌছাতে অনিশ্চয়তা সহ বেশীরভাগ বাসেরই ন্যূনতম ভ্রমন সুবিধার অভাব সাধারণ যাত্রীদের ভাবিয়ে তুলেছে। বিআরটিসি সূত্রে, স্বাধীনতার পরে ১৯৭৩ সনে তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নূরুল ইসলাম মঞ্জুর প্রচেষ্টায় প্রথমবারের মত বরিশাল-গোয়ালন্দ রুটে বাস সার্ভিস চালুর মাধ্যমে বরিশাল বিআরটিসি বাস ডিপো তার যাত্রা শুরু করে। সে সময়কার যোগাযোগমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব) এম মনসুর আলী আনুষ্ঠানিকভাবে এ ডিপোর উদ্ধোধন করেন। ১৯৮২ সালে দেশে সামরিক শাসন জারির পর কথিত লোকসানের অজুহাতে দক্ষিণাঞ্চলে বিআরটিসির একমাত্র এ বাস ডিপোটি বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালের শেষের দিকে পুনরায় মাত্র ৫টি বাস নিয়ে বরিশাল বিআরটিসি তার যাত্রা শুরু করে। তখন থেকে একাধিকবার বিআরটিসির বাসগুলোর ইঞ্জিন বিগড়ে যাওয়ার ঘটনায় যাত্রীরা বেশ চিন্তিত ছিল গন্তব্যে ফেরা নিয়ে। সে মতে সচল বাসের অভাবে নিরাপদ যাত্রী সেবা দিতে তখন থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ বিআরটিসি। ১৯৯৩ সালের দিকে এ বাস ডিপোটির প্রতি কিছুটা সরকারি নজর পড়তে শুরু করে। এক এক করে নতুন-পুরনো মিলিয়ে প্রায় ২০টি বাস সরবরাহ করা হয়। ২০১১ সালের প্রথম দিকে বাসের সংখ্যা ছিল ৪২টি। সে বছর মাস ৬ সেবা দেয়ার পর ৬টি বাস অকেজ হয়ে পরে। বাধ্য হয়ে বাস ৬টি বিক্রি করতে হয় বিআরটিসি কর্তৃপক্ষকে। এরপর আর কোন বাস ক্রয় না করে পূর্বের দেয়া ৩৬টি বাস দিয়েই যাত্রী সেবা দিচ্ছে বরিশাল বিআরটিসি। তার উপর আরো ৩টি বাস চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরলে বাসের সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ৩৩টিতে। অবশিষ্ট ৩৩টি বাসের মধ্যে ৩০টি নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করলেও এই সবগুলোই দীর্ঘদিনের পুরোনো। ফলে এ সব গাড়ি যেমন ভ্রমন বান্ধব নয়; তেমনি পথে-পথে না সমস্যায় যাত্রীদের বিড়ম্বনা বাড়ছে। রাষ্ট্রীয় এ সড়ক পরিবহন সংস্থাটির সাথে দক্ষিণাঞ্চলের পরিবহন মালিকদের দ্বন্দ্ব যেন পদে-পদে। বিআরটিসি বাসে যাত্রী উঠলেই পোয়াবারো অবস্থা হয়ে দাড়ায় বেসরকারি বাস মালিক ও কন্ট্রাকটর সুপারভাইজারদের। এ নিয়ে বরিশাল বিআরটিসি বাস সার্ভিস বন্ধের দাবীতে প্রায় সময়ই এ সব মালিক শ্রমিক পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়ে থাকে। সম্প্রতি ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধির পর সরকার প্রতি কিলোমিটারে ৯৮ পয়সা থাকে বাড়িয়ে প্রতিটি রুটে বাস চলাচল করছিল। কিন্তু ডিজেলের মূল্য আরো কয়েক দফা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এখন প্রতি কিলোমিটার বিআরটিসি বাসের ভাড়া এসে দাড়িয়েছে ১টাকা ১৫পয়সা। দক্ষিণাঞ্চলের রাজধানীর সড়ক পথের কাওরাকান্দি মাওয়া রুটে বিআরটিসি প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১টি করে বাস চলাচল করছে। জন প্রতি ভাড়া ১৫০টাকা কিন্তু সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় উল্লেখ আছে ১শ ৬৬টাকা। জানাযায়, পূর্বে সরকার নির্ধারিত ভাড়া ছিল ১শ৫০টাকা। কিন্তু যাত্রী সেবায় কথা ভেবে নেয়া হত ১শ২০টাকা। বর্তমানে যা নেয়া হচ্ছে ১শ৫০টাকা করে। তবে তা সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকেও ১৬টাকা কম। অপর একটি সূত্র জানায় শুরুতে কথা ছিল বরিশাল রুটের জন্য বিআরটিসির সদর দপ্তর থেকে ৬টি নতুন বাস দেয়া হবে। কিন্তু সে ওয়াদা রাখতে না পারায় জোড়াতালি দেয়া পুরোনো বাসগুলোই জনগুরুত্বপূর্ণ এ রুটে যাত্রী পরিবহন করছে। এমনকি বরিশাল কুয়াকাটা রুটের পর্যটক স্পেশাল বাস সার্ভিসের গাড়ির মানও বর্ণনার বাইরে। এ রুটে আরো ১টি বিকল্প বাস সার্ভিস চালু করার কথা থাকলেও দীর্ঘ কয়েক বছরেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। যার জন্য নেপথ্য দায়ী বেসরকারি বাস মালিক শ্রমিকরা। যে কারণে বর্তমানে কুয়াকাটায় সাগর পাড়া থেকে পর্যটক গন দুপুরে ফিরতে না পারায় ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের যাত্রীরা গন্তব্য ফেরার যানবাহন ফেরার সঠিক সময়ে ধরতে পারছেনা। সঠিক তথ্যানুসন্ধানের ভিত্তিতে জানাযায়, এতকিছুর পরও বিআরটিসি বরিশাল বাস ডিপোটির প্রতি মাসে আয় আগের থেকে কিছুটা কমে বর্তমানে ১কোটি টাকা প্রায়। এ বিষয়ে বরিশাল বিআরটিসি ইনচার্জ আব্দুর রহিম জানান, বিআরটিসির এ গাড়িগুলো সম্পর্কে হেড অফিস অবগত রয়েছে। শীঘ্রই নতুন কয়েকটি গাড়ি দেয়ার কথা রয়েছে বিআরটিসির পক্ষ থেকে।

লাইক: UP  DOWN  0 দেখা হয়েছে: ০ বার



শিরোনাম অবস্থান তারিখ
The Struggle to Afford High School Textbooks in BangladeshBarisāl৮ ডিসেম্বর ২০১০
নতুন চরে রাস্তার বেহালদশা: ১৫ বছরেও দুর্ভোগ থেকে অব্যহতি পায় নি জনগণবাবুগঞ্জ, বরিশাল১৩ ডিসেম্বর ২০১০
রাজগুরু দারুছুনাত দাখিল মাদ্রাসা উন্নয়নের দাবিবাবুগঞ্জ, বরিশাল১৩ ডিসেম্বর ২০১০
Char roads are damagedBabuganj, Barishal১৩ ডিসেম্বর ২০১০
Bad Food for Patient of UHCbarisal১৮ ডিসেম্বর ২০১০

শিরোনাম উৎস তারিখ
এক শিশু এক ট্যাবলেট BBC Bangla ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩
আত্মহত্যা: বাংলাদেশে গোপন মহামারী BBC Bangla ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩
দিল্লির রায় 'কঠোর' বার্তা BBC Bangla ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩
তথ্যমন্ত্রীর সাথে বিশেষ সাক্ষাৎকার BBC Bangla ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩
হামলা সন্ত্রাসী ও রাজনৈতিক চক্রান্তমূলক:... BBC Bangla ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩

Designed and Developed By Domain Technologies Ltd.