চলতি অর্থ বছরে ফুলপুরে বিশ্বব্যাংকের লোকাল গর্ভনেন্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি)এর কোটি টাকা হরিলুটে মিডিয়া সহ স্থানীয় জনগনকে অন্ধকারে রেখে ব্যাপক দূর্নীতির আশ্রয় গ্রহন করা হয়েছে। বিশুদ্ধ পানি,পয়ঃনিষ্কাশন সহ অবকাঠামোগত উন্নয়নে রিং,কালভার্ট নির্মাণ এবং ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্রের সরঞ্জামাদি ক্রয় সহ বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে নাম মাত্র কাজ করে সিংহভাগ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের বরাদ্দ সমন্বয় কমিটি(ব্লক গ্রান্ড কো অর্ডিনেটিং কমিটি বা বিজিসিসি) ফোরাম হিসাবে এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ আমলে না নিয়ে বরং নির্ধারিত পার্সেন্টেজ এ অভিযোগ ধামাচাপা দেয়ার দায়িত্ব পালন করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ। ইউপি পর্যায়ের প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়নে গঠিত কমিটি সমূহ যথাক্রমে এসআইসি,এসএসসি ইউপিটিএসি এবং দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি গঠনে অনিয়ম এবং দূর্নীতির মাধ্যমে এ হরিলুটের তথ্য গোপন করা হয়েছে।স্হানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালীকরণ,সর্বস্তরের জনগনের অংশ গ্রহনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং মাইকিং সহ ওয়ার্ড পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারনায় জনগনের স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহনের মাধ্যমে উন্মুক্ত সভায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এলজিএসপির প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন রকমের।জনগন তো দূরের কথা, প্রকল্পের ইউআরটি (উপজেলা রিসোর্স টীম)এ অর্ন্তভুক্ত সরকারী কর্মকর্তা ও মিডিয়া তথা সাংবাদিকরাও উপজেলার সর্বমোট বরাদ্দের হিসাব জানে না। কারণ লোকসংখ্যার ভিত্তিতে ইউনিয়ন ওয়ারী বরাদ্দ সরাসরি সংশ্লিষ্ট ইউপি ব্যাংক একাউন্টে জমা হয়।পরে বিজিসিসির অনুমোদন ক্রমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পেমেন্ট ভাউচারে ব্যাংক থেকে চেয়ারম্যানের একক স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলনের সুবিধা কাজে লাগিয়ে এ হরিলুট হয় বলে বিজিসিসির জনৈক সদস্য এ প্রতিনিধিকে জানান।
লাইক:
1
দেখা হয়েছে: ০ বার